শিরোনাম :
সন্দ্বীপে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে সচেতনতামূলক পথসভা  মেক্সিকোর বিপক্ষে জয়ের ছন্দ ধরে রাখল আর্জেন্টিনা মীরসরাইয়ে ইতিহাস গ্রন্থ আলোচনা অনুষ্ঠান সম্পন্ন শিশু বাচ্চা আয়াতকে ৬ টুকরা করে নদীতে ফেলে দেয় সাবেক ভাড়াটিয়া প্রধান আসামি আবির আলী গ্রেফতার শিশু আয়াতকে অপহরণের পর ৬ টুকরো করে ফেলে দেয় সাগরে চট্টগ্রামে আ’লীগের জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত করতে হবে: মোঃ শেখ সেলিম চট্রগ্রামে আ’লীগের জনসভা জনসমুদ্রে পরিণত হবেঃ আবুল হোসেন বাবুল কিভাবে বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা গুগল ম্যাপে যুক্ত করবেন মিরসরাইয়ে সন্ত্রাসী হামলায় আহত নুর আলম নিহত এলাকার মানুষের ক্ষোভ ২৮ নভেম্বর এসএসসি’র ফল প্রকাশ করা হবে

সন্দ্বীপের বাজারে ইলিশে ভরা, দাম কিন্তু চড়া || নেপথ্যে চাঁদাবাজি ও অসাধু সিন্ডিকেট

মোঃ হাসানুজ্জামান সন্দ্বীপি: সাগরে মাছ ধরার ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হয় ২৩ জুলাই।ভরা মৌসুমে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে।কিন্তু দাম সাধারণ ক্রেতার বাহিরে। জানা যায়,সন্দ্বীপের বড় দুটি মাছের ঘাট বাংলাবাজার ও গাছতলী ঘাট থেকে সরকার খাস কালেকশন (মামলার কারণে ঘাট দুটির ইজারা বন্ধ আছে) বাবদ পায় মাসে ১০ হাজার টাকা করে বছরে ১ লক্ষ ২০ হাজার। দুটি ঘাটে ২ লক্ষ ৪০ হাজার।

অনুসন্ধানে জানা যায়, সাগর থেকে ধরে আনা প্রতিটি ইলিশের জন্য জেলেদের কাছ থেকে নেওয়া হয় ১০ টাকা, মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নেওয়া হয় ১০ টাকা। অর্থাৎ ইলিশপ্রতি চাঁদা ২০ টাকা। ইলিশের মৌসুম শেষে বছরের অন্যান্য সময় অন্য মাছ ধরে ঘাটে আনলেও ১০০ টাকার মাছে ৫ টাকা করে দিতে হয় ঘাটের লোকজনকে।

এছাড়াও ঘাট দুটিতে গুদি ভাড়ার সরকার নির্ধারিত কোন মূল্য না থাকায়, প্রতিটি নৌকা থেকে গুদিভাড়া বাবদ বছরে ২০ হাজার টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়। ঘাট দুটিতে মাছ ধরতে যায় এমন নৌকা আছে ১৫০ টিরও উপরে। ঘাটমালিকের নির্ধারিত টাকা দিলে ঘাটে থাকতে পারবেন শর্তে মাছ ধরা বা ব্যবসার নির্দেশ মিলে।

এছাড়াও সন্দ্বীপ পৌরসভার তালুকদার মার্কেট সংলগ্ন ১ নং মাছ ঘাটটি প্রতিনিয়ত ছিলো পাইকার ও খুচরা মাছ ব্যবসায়ীদের পদচারনায় মুখরিত। নির্বিঘ্নে মাছ ব্যবসায়ীরা এখান থেকে মাছ ক্রয় করে সন্দ্বীপের বিভিন্ন বাজারে নিয়ে বিক্রি করতো। কিন্তু কেরানী কাসেম ও এম,এ কালাম নামের ২ কেরানীর প্রতিনিয়ত অশালীন ব্যবহার ও অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে ঘাটের মুল মালিকের অগোচরে প্রতি মাসে ৩ লক্ষ টাকা উপার্জনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। যা কোন না কোনভাবে ইলিশের বাজারে প্রভাব ফেলছে।

বছরে সরকারকে ২ লক্ষ ৪০ হাজার দিয়ে মৎসজীবীদের কাছ থেকে আদায় করা হয় কয়েক কোটি টাকা।

(Visited 11 times, 1 visits today)