শিরোনাম :
বিজিএমই সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী নারায়ণহাট মাদ্রাসার সভাপতি নির্বাচিত সিলেট সুনামগঞ্জ বানভাসীদের মাঝে ফেনী জেলা ‘নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন’ এর ত্রাণ বিতরণ স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে চবি কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পদ্মা সেতু উদ্বোধন || প্রধানমন্ত্রীকে চট্টগ্রাম ট্রিবিউন পরিবারের অভিনন্দন মানবতার নায়ক আবদুস সামাদ স্যার, সবার জন্য অনুসরনীয় রামগঞ্জে খালের উপর থাকা নির্মাণাধীন দুইটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছে স্বামী-স্ত্রী মাদক কারবারী, বিশেষ অভিযানে ৫মাদক কারবারী লোহাগাড়ার শ্রীঘরে, ইয়াবা জব্দ বান্দরবানে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন আজ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যান্ত্রিক এবং মানবিক ত্রুটি দূর করতে পারলে ইভিএম গ্রহণযোগ্য হবে

মাদকের অভয়াশ্রমে পরিনত বাণীশান্তা যৌনপল্লি

মোহাম্মদ আমান উল্লাহ: পশুরনদীর তীরে মোংলার বানীশান্তা যৌনপল্লি এখন মাদকের অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে।যৌনপল্লিকে ঘিরে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন প্রকার মাদকের রমরমা ব্যবসা ।পুলিশ প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ যেকোন সংশ্লিষ্ট সংস্থার নজর এড়িয়ে বানীশান্তা যৌনপল্লিতে অপরাধের স্বর্গরাজ্য গড়ে তুলেছে দুষ্কৃতিকারীরা।

১৯৫৪ সালে যখন মংলা সমুদ্র বন্দর গড়ে ওঠে তখন থেকেই এই পতিতা পল্লীর যাত্রা। এটি তখন আজকের জায়গাটিতে ছিল না। ছিল মংলা শহরতলীর কুমারখালী খালের উত্তরে। প্রথমে ২০/২৫ যৌন কর্মী নিয়ে পতিতা পল্লীর যাত্রা শুরু হয়েছিল। তারপর যখন ব্যাপ্তি বাড়তে থাকে মংলা বন্দরের শহর বড় হয়, লোকসংখ্যা বাড়ে তখন পতিতা পল্লীটিও পশুর নদীর পশ্চিম পাড়ে স্থান্তরিত হয়।

সরেজমিনে কথা হচ্ছিলো যৌনপল্লির বাসিন্দাদের সঙ্গে,প্রথম দিকে মুখ খুলতে না চাইলেও কথায় কথায় বেরিয়ে আসে অনেক তথ্য। মুখ খুলতে না চাওয়ার কারণ একটাই ভয়, পল্লির ভিতর ঘুরে ঘুরে বাংলা মদ গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রি করে একটি গ্রুপ। তাদেরকেও বড় অংকের চাঁদা মাশোয়ারা দিয়ে এই ব্যবসা চালাতে হয় বলে জানালেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যবসায়ী।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে আরো জানা যায়, এখানে নদীপথে অবাধে মাদক প্রবেশ করছে দিনের আলোতে। আশেপাশের এলাকার যুব সমাজ নদীপথে ঘুরতে আসা লোকজন
এতে আসক্ত হচ্ছে। একারণে এলাকায় প্রতিনিয়ত নানা অপরাধমূলক ঘটনা ঘটছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, নাম গোপন রাখা শর্তে একজন মদ ও ইয়াবা ব্যবসায়ী নিশ্চত করেন, এগুলো(ইয়াবা) বাইরে থেকে যারা আসে তারাই নিয়ে আসছে।

ইয়াবা ব্যবসা সম্পর্কে জানতে চাইলে একজন উত্তেজিত কণ্ঠে এ প্রতিবেদকে উদ্দেশ্য করে বলে, ‘এর আগে কত সাংবাদিকরাই লেইখ্যা কিছু করতে পারে নাই আর আইছে সাংবাদিক।’

জানা যায়, এখানের দিনের আলোতেই বাংলা মদের রমরমা আসর জমে। রাত যখন গভীর হয় তখন যৌনপল্লির মুলগেট বন্ধ করে যৌন কর্মীদের ঘরে বসেই যৌথআসর জমিয়ে ইয়াবা সেবন করে দুষ্কৃতীকারীরা। প্রতিটা ইয়াবা ট্যাবলেট এর দাম রাখা হয় ৫০০ টাকা। যৌনকর্মীদের ঘরের ভিতর থেকে বের করা হয় ইয়াবা ট্যাবলেট।

পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার হলেও পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। ফিরে এসে আবার নতুন উদ্যমে তারা শুরু করে মাদকের রমরমা ব্যবসা। স্থানীয়রা অভিযোগ করে আরো জানান, খোদ ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের সঙ্গে আফোস করেই তারা এ ব্যবসা করছে। এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

(Visited 31 times, 1 visits today)