শিরোনাম :
বিজিএমই সহ-সভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী নারায়ণহাট মাদ্রাসার সভাপতি নির্বাচিত সিলেট সুনামগঞ্জ বানভাসীদের মাঝে ফেনী জেলা ‘নিজের বলার মত গল্প ফাউন্ডেশন’ এর ত্রাণ বিতরণ স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন উপলক্ষে চবি কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পদ্মা সেতু উদ্বোধন || প্রধানমন্ত্রীকে চট্টগ্রাম ট্রিবিউন পরিবারের অভিনন্দন মানবতার নায়ক আবদুস সামাদ স্যার, সবার জন্য অনুসরনীয় রামগঞ্জে খালের উপর থাকা নির্মাণাধীন দুইটি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছে স্বামী-স্ত্রী মাদক কারবারী, বিশেষ অভিযানে ৫মাদক কারবারী লোহাগাড়ার শ্রীঘরে, ইয়াবা জব্দ বান্দরবানে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন আজ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যান্ত্রিক এবং মানবিক ত্রুটি দূর করতে পারলে ইভিএম গ্রহণযোগ্য হবে

আওয়ামী লীগ সমর্থিত আমলা নির্ভর নির্বাচন কমিশন -মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু

ঢাকা-রবিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ : জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সভা শেষে নির্বাচন কমিশন নিয়ে গণমাধ্যমের সামনে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেছেন, নব নিযুক্ত নির্বাচন কমিশন হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সমর্থিত আমলা নির্ভর নির্বাচন কমিশন। এসময় তিনি বলেন, এই নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে পারবে বলে যথেষ্ট সন্দেহ আছে। তাদের কার্যক্রমের উপর নির্ভর করবে তারা কতোটা নিরপেক্ষ।

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, বিএনপি ও আওয়ামী লীগ কেউই নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে পারেনি। আওয়ামী লীগ জিতলে বিএনপি বলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি আবার বিএনপি জিতলে আওয়ামী লীগ বলে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টি সব সময় বলে আসছে বাংলাদেশে কেয়ারটেকার সরকারের অধীনেও নির্বাচন সুষ্ঠু হয় না। গেলো ত্রিশ বছরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপিই প্রমাণ করেছে কেয়ারটেকারের অধীনে নির্বাচন সুষ্ঠু হয় না। তিনি বলেন, পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আনুপাতিক হারে নির্বাচন পদ্ধতির বিকল্প নেই। শুধু আনুপাতিক হারে নির্বাচন পদ্ধতিতে নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য একে অপরকে বিশ্বাস করতে হবে এবং সকলকে সহযোগিতা করতে হবে। রাজনৈকি দলগুলো যদি একমত না হয় তাহলে কখনোই বাংলাদেশে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে না।

এসময় জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু আরো বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশন আইন অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সময়ে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা নির্বাচন কমিশনের অধিনে কাজ করবেন। তারা নির্বাচন কমিশনের আদেশ শুনতে বাধ্য। কিন্তু, না শুনলে কি হবে সে বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি। আমাদের দাবি ছিলো নির্বাচনকালীন সময়ে কমিশনের কথা কেউ না শুনলে তাদের বিরুদ্ধে যেন ব্যবস্থা নিতে পারে সেই ক্ষমতা দিয়ে একটি আইন করতে হবে। সেই আইন সরকার করেনি। নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতা দিয়ে একটি আইন করলে যদি কমিশনের সদিচ্ছা থাকে তাহলে হয়তো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হবে। এছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন দূরুহ বিষয়।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় পার্টি মহাসচিব বলেন, জাতীয় পার্টি নির্বাচনমুখী দল, নির্বাচনের বাকি আরো দুই বছর। তাই নির্বাচনের আগে আমরা দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেবো আমরা নির্বাচনে যাবো কিনা।

(Visited 13 times, 1 visits today)