শিরোনাম :
মেহেরুননেছা ফয়েজ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য (শিক্ষক প্রতিনিধি) নির্বাচিত হলেন চট্টগ্রাম ট্রিবিউন নির্বাহী সম্পাদক মহিউদ্দিন ওসমানী মিরসরাই উপজেলা,বারইয়ারহাট ও মিরসরাই পৌরসভা বিএনপি’র প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত সাতকানিয়ায় প্রবাসী যুবলীগ নেতা তৈয়বের বাড়িতে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে মক্কা যুবলীগের প্রতিবাদ সভা মীরসরাইয়ের ১৬ ইউপি চেয়ারম্যান শপথ নিলেন আজ ইশতেহার, উন্নয়ন দর্শন ও জনঘনিষ্ট কর্মসূচিই হোক নির্বাচনী কৌশল ৩য় বার আবুতোরাব স্কুলের সভাপতি হলেন আবুল হোসেন বাবুল ওলিয়ে কামেল গোলাম রহমান(রহ.) ও কিছু কথা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কর্তৃক চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ১০ দিনব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের বিজয়মেলার উদ্বোধন কবিতাঃ ‘বই’ মোবারক উদ্দিন সিয়াম সরওয়ার উল্যাহ ফাউন্ডেশন ও লায়ন্স ইম্পেরিয়াল সিটির ফেনীতে চিকিৎসা সেবা প্রদান

ইভ্যালি ও আলেশা মার্টসহ ১০টি ই-কমার্স কেনাকাটায় নিষেধাজ্ঞা দিল ব্র্যাক ব্যাংক

চট্টগ্রাম ট্রিবিউন ডেস্ক: ইভ্যালি ও আলেশা মার্টসহ ১০টি ই-কমার্স সাইট থেকে ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রি-পেইড কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসব অনলাইন মার্কেট প্লেস-এর বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ব্যাংকটি।

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং, সিরাজগঞ্জ শপিং, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, কিউকম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস ডট কম বিডি।

মঙ্গলবার (২২ জুন) ব্র্যাক ব্যাংকের গণসংযোগ বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা ইকরামুল কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এটি ব্র্যাক ব্যাংকের একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত। কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব থাকবে তা নির্ণয় করে আমাদের পরিচালনা পরিষদ। তারা এই সাইটগুলোতে লেনদেন আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বেশ কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ব্যবসায় নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। নতুন এই ব্যবসা পদ্ধতিতে অনলাইন বাজারগুলো ক্রেতাদের কাছ থেকে কয়েক মাসের অগ্রিম টাকা সংগ্রহ করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্য সরবরাহ করতে আরও বেশি সময় নিয়ে থাকে।

অনিয়ন্ত্রিত এসব ই-কমার্স সাইটের মাধ্যমে উচ্চ লেনদেনের বিষয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। তারা জানিয়েছে, ক্রেতাদের কাছ থেকে সংগৃহীত অগ্রিম অর্থের বিপরীতে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পদ নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক পরিদর্শনে উঠে এসেছে, অনলাইনভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান (ই-কমার্স) ইভ্যালির চলতি সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এর বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটির দেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। সম্পদের চেয়ে ৬ গুণের বেশি এই দেনা পরিশোধ করার সক্ষমতা কোম্পানিটির নেই।

এছাড়া, প্রায়ই তারা ক্রেতাদের জানিয়ে দেয় যে, তাদের অর্ডার করা পণ্যগুলো শেষ হয়ে গেছে। আর তাই সেটা পাঠানো সম্ভব নয়। তবে, মাসের পর মাস ধরে অপেক্ষার পরেও প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্য পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে ক্রেতারা তাদের টাকা ফেরত পান না বলে অসংখ্য অভিযোগ ওঠে। অনলাইন ক্রেতাদের লোভনীয় সব ছাড়ের ফাঁদে ফেলে দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশাল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করার বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ ব্যাংকও।

(Visited 93 times, 1 visits today)