শিরোনাম :
বায়তুশ শরফ আনজুমনে ইত্তেহাদের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) এর প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত। জাফর আহমেদ খোকা মেহেরুননেছা ফয়েজ উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মনোনীত মিরসরাইয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন বাপ্পি চন্দ্র লোহাগাড়ার কৃতি সন্তান অধ্যক্ষ এম সোলাইমান কাসেমীর এম.ফিল ডিগ্রী অর্জন.. শ্রমিক নেতা গোলাম মাওলার মৃত্যু বার্ষিকী পালিত সাংবাদিক সংসদ কক্সবাজার’র বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষার বাধ্যবাধকতা ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থা অসম্পূর্ণ কক্সবাজার বিমানবন্দরের শাহ্ আবদুল মালেক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নামকরণের দাবি জাহাজী প্রবিন নেতা আবুল কাসেম সারেং এর ইন্তেকাল লেবাননে শান্তিরক্ষা মিশনে এ অংশ নিতে নৌবাহিনীর ৭৫ সদস্যের চট্টগ্রাম ত্যাগ

ইভ্যালি ও আলেশা মার্টসহ ১০টি ই-কমার্স কেনাকাটায় নিষেধাজ্ঞা দিল ব্র্যাক ব্যাংক

চট্টগ্রাম ট্রিবিউন ডেস্ক: ইভ্যালি ও আলেশা মার্টসহ ১০টি ই-কমার্স সাইট থেকে ক্রেডিট, ডেবিট ও প্রি-পেইড কার্ডের মাধ্যমে কেনাকাটায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এসব অনলাইন মার্কেট প্লেস-এর বিরুদ্ধে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ব্যাংকটি।

নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং, সিরাজগঞ্জ শপিং, আলাদিনের প্রদীপ, বুম বুম, কিউকম, আদিয়ান মার্ট ও নিডস ডট কম বিডি।

মঙ্গলবার (২২ জুন) ব্র্যাক ব্যাংকের গণসংযোগ বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা ইকরামুল কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এটি ব্র্যাক ব্যাংকের একটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত। কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমাদের অংশীদারিত্ব থাকবে তা নির্ণয় করে আমাদের পরিচালনা পরিষদ। তারা এই সাইটগুলোতে লেনদেন আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বেশ কিছু ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ব্যবসায় নতুন কৌশল অবলম্বন করছে। নতুন এই ব্যবসা পদ্ধতিতে অনলাইন বাজারগুলো ক্রেতাদের কাছ থেকে কয়েক মাসের অগ্রিম টাকা সংগ্রহ করে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে, প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্য সরবরাহ করতে আরও বেশি সময় নিয়ে থাকে।

অনিয়ন্ত্রিত এসব ই-কমার্স সাইটের মাধ্যমে উচ্চ লেনদেনের বিষয়ে সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। তারা জানিয়েছে, ক্রেতাদের কাছ থেকে সংগৃহীত অগ্রিম অর্থের বিপরীতে এসব প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পদ নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক পরিদর্শনে উঠে এসেছে, অনলাইনভিত্তিক বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান (ই-কমার্স) ইভ্যালির চলতি সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এর বিপরীতে প্রতিষ্ঠানটির দেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪০৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা। সম্পদের চেয়ে ৬ গুণের বেশি এই দেনা পরিশোধ করার সক্ষমতা কোম্পানিটির নেই।

এছাড়া, প্রায়ই তারা ক্রেতাদের জানিয়ে দেয় যে, তাদের অর্ডার করা পণ্যগুলো শেষ হয়ে গেছে। আর তাই সেটা পাঠানো সম্ভব নয়। তবে, মাসের পর মাস ধরে অপেক্ষার পরেও প্রতিষ্ঠানগুলো পণ্য পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে ক্রেতারা তাদের টাকা ফেরত পান না বলে অসংখ্য অভিযোগ ওঠে। অনলাইন ক্রেতাদের লোভনীয় সব ছাড়ের ফাঁদে ফেলে দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশাল অঙ্কের অর্থ সংগ্রহ করার বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন বাংলাদেশ ব্যাংকও।

(Visited 68 times, 1 visits today)