শিরোনাম :
হালদায় মা মাছ ও জীব বৈচিত্র্যসহ ডলফিন রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা আজকের বাংলাদেশ আর আগের বাংলাদেশ এক নয়: প্রধানমন্ত্রী স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় বাংলাদেশ বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতির মায়ের কবরে আমিনুল ইসলাম আমিনের শ্রদ্ধা চট্টগ্রামে ডিজিটাল শিক্ষক গড়ার বাতিঘর আখতার হোছাইন কুতুবীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান বিডিআর হত্যাকান্ডের দিন সকালে কেন খালেদা জিয়া বাসা থেকে বেরিয়ে গেলেন প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রী’র খেলাধুলা যুব সমাজকে মাদক থেকে দুরে রাখে: রেজাউল করিম মাষ্টার চট্টগ্রামে নবনির্মিত এসপি কার্যালয় উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১০ যাত্রী নিহত অর্ধশত আহত

প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে ৭০ হাজার পরিবারকে পাকা ঘর হস্তান্তর করলেন

মোহাম্মদ হাসান, সাব- ইডিটর: বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে দেশের ৪৯২টি উপজেলার প্রায় ৭০ হাজার পরিবারকে পাকা ঘরসহ বাড়ি হস্তান্তর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে আমার অত্যন্ত আনন্দের দিন। ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান করতে পারা বড় আনন্দের। দেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না, মুজিববর্ষে এটাই সবচেয়ে বড় উৎসব। আজ ২৩ জানুয়ারি শনিবার প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রায় ৭০ হাজার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান করছেন। এসময় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজকে আমার অত্যন্ত আনন্দের দিন। ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান করতে পারা বড় আনন্দের। আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানুষের কথাই ভাবতেন। আমাদের পরিবারের লোকদের চেয়ে তিনি গরীব অসহায় মানুষদের নিয়ে বেশি ভাবতেন এবং কাজ করেছেন। এ গৃহ প্রদান কার্যক্রম তারই শুরু করা।’এ সময় লাইভে যুক্ত ছিল খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা, চাপাইনবাবগঞ্জ সদর, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা। এছাড়াও দেশের সব উপজেলা অনলাইনে যুক্ত হয়।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় প্রায় ৯ লাখ মানুষকে পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাকাবাড়ি উপহার দেওয়া হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ঘর পেলো দেশের ৪৯২টি উপজেলার ৬৯ হাজার ৯০৪ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। আগামী মাসে আরও ১ লাখ পরিবার বাড়ি পাবে। অনুষ্ঠানে আশ্রয়ণ প্রকল্পের তৈরি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। এ সময় লাইভে যুক্ত ছিল খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলা, চাপাইনবাবগঞ্জ সদর, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা। এছাড়াও দেশের সব উপজেলা অনলাইনে যুক্ত হয়।

প্রসঙ্গত, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মের ১০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মুজিব শতবর্ষ পালন করছে সরকার। বছরটিকে স্মরণীয় করে রাখতে জাতির পিতার উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ভূমি ও গৃহহীন আট লাখ ৮২ হাজার ৩৩টি পরিবারকে ঘর ও জমি দেওয়ার কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। আজ উদ্বোধনের পর পর্যায়ক্রমে এ তালিকার সবাই এই সুবিধা পাবে।

উপকারভোগীদের মধ্যে যাদের জমি আছে, তারা শুধু ঘর পাবে। যাদের জমি নেই, তারা ২ শতাংশ জমি পাবে (বন্দোবস্ত)। দুই কক্ষবিশিষ্ট প্রতিটি ঘর তৈরিতে খরচ হচ্ছে এক লাখ ৭১ হাজার টাকা। সরকারের নির্ধারিত একই নকশায় হচ্ছে এসব ঘর। রান্নাঘর, সংযুক্ত টয়লেট থাকছে। টিউবওয়েল ও বিদ্যুৎ সংযোগও দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে থাকা আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এই কাজ করছে। খাসজমিতে গুচ্ছ ভিত্তিতে এসব ঘর তৈরি হচ্ছে। কোথাও কোথাও এসব ঘরের নাম দেওয়া হচ্ছে ‘স্বপ্ননীড়’, কোথাও নামকরণ হচ্ছে ‘শতনীড়’, আবার কোথাও ‘মুজিব ভিলেজ’।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় বলেছেন, বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগ বিশ্বের ইতিহাসে নতুন সংযোজন এই প্রকল্পের পরিচালক মাহবুব হোসেন বলেন, ‘আশ্রয়ণ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্ব ইতিহাসে নতুন রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। এটা বাংলাদেশের বিশাল অর্জন।

(Visited 12 times, 1 visits today)