শিরোনাম :
আজকের বাংলাদেশ আর আগের বাংলাদেশ এক নয়: প্রধানমন্ত্রী স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় বাংলাদেশ বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন লোহাগাড়া উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতির মায়ের কবরে আমিনুল ইসলাম আমিনের শ্রদ্ধা চট্টগ্রামে ডিজিটাল শিক্ষক গড়ার বাতিঘর আখতার হোছাইন কুতুবীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান বিডিআর হত্যাকান্ডের দিন সকালে কেন খালেদা জিয়া বাসা থেকে বেরিয়ে গেলেন প্রশ্ন তথ্যমন্ত্রী’র খেলাধুলা যুব সমাজকে মাদক থেকে দুরে রাখে: রেজাউল করিম মাষ্টার চট্টগ্রামে নবনির্মিত এসপি কার্যালয় উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিলেটে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ১০ যাত্রী নিহত অর্ধশত আহত মানবতার ফেরিওয়ালা জোরারগঞ্জের করিম মাষ্টার

জনগণের বাসস্থান নিশ্চিতে বিনাসুদে, শর্তবিহীন ঋণ সুবিধা দিন

পারভীন আকতার: বর্তমানে আমাদের দেশ বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে উন্নতির জোর প্রচেষ্টায় ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে। উন্নয়নের নানা ধারার ছোঁয়া লাগছে বাংলার প্রত্যন্ত অঞ্চলেও। খুবই সুখকর সংবাদ; এ আমাদের গর্বের বেঁচে থাকা। তবে দেশে বহিরাগত রোহিঙ্গা উড়ে এসে যেভাবে জুড়ে বসেছে শংকা হয় এতো উন্নতি ঐ সব অশিক্ষিত, হিতাহিতজ্ঞানশূন্য রোহিঙ্গার কারণে ভেস্তে না যায়। ওদের জন্য ভাসানচর, বিনামূল্যে ঘর, শিক্ষা সব সুযোগসুবিধা দেয়া হচ্ছে যাতে তারা বাংলায় আর কোথাও গিয়ে গোলযোগ ঘটাতে না পারে। কিন্তু তারা অদমনীয়। কোন না কোন ভাবে অঘটন ঘটাচ্ছেই।সবাইকে ফাঁকি দিয়ে ইয়াবা ব্যবসা,মানব পাচার থেকে শুরু করে মানুষ খুনেও তারা হস্তসিদ্ধ।

কথা হলো তারা যদি এই দেশের নাগরিক না হয়েও ফ্রীতে সব পেতে পারে তাহলে আমরা এইদেশের স্থায়ী নাগরিক হয়ে আমাদের জন্য কী সুব্যবস্থা করা হচ্ছে?রোড ঘাট, ব্রীজ, সেতু তৈরি করলেই কি সব? হয়তো অনেক সমস্যা সমাধান হবে। কিন্তু মানুষ ওখানেই নিরাপদে দিনাতিপাত করবে পরিবার নিয়ে? আমাদের নিজস্ব থাকার জায়গা কয়জনের আছে? আমার রোহিঙ্গার চেয়ে অসহায় নই কি? রাষ্ট্রীয় সরকার পাশে থেকে তাদের জন্য সব করতে মরিয়া। কিন্তু আমরা সাধারণ জনগণ কি দোষ করেছি? রাষ্ট্র জনগণ থেকে আয়কর নিতে ভুল করে না। কিন্তু সবারই থাকার জায়গাটুকু যে কতটা প্রয়োজন উপরতলার নীতিনির্ধারকদের মস্তিষ্কে আসেনা কেন? ব্যাংকগুলো বানিজ্য নিয়ে বসে থাকে কখন ঋণগ্রহীতা আসবে, মোটা অঙ্কের সুদ বহন করবে। এক অঙ্কের সুদও অনেক টাকা দেয়া লাগে তা যারা ভুক্তভোগী তারা জানে, বুঝে।

এই সুদ শেষ হয়েও যেন শেষ হতে চায় না। হুঁল ফুটিয়ে জীবনের সুখশান্তি শেষ করে দেয়। তাই আমরা চাই বিনাসুদে, শর্তবিহীন ঋণ সুবিধা। একটি মাথা গুজার ঠাঁই যেন সবারই হয়। এতে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব অনেক। তৎপরতাও রাষ্ট্রের গায়েই বর্তায়। না হয় রোহিঙ্গা, বাস্তুহারাদের মতো সুরম্য প্রাসাদ গড়ে দিন প্রতিটি উপজেলায়। আয় রোজগারের ব্যবস্থা করে দিন।মানুষ শান্তিতে বসবাস করুক।রাষ্ট্র জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতে কোনভাবেই তার দায় এড়াতে পারেনা।

লেখক: শিক্ষক, কবি ও প্রাবন্ধিক, চট্টগ্রাম। ইমেইল: pervinakter474@gmail.com

(Visited 12 times, 1 visits today)