শিরোনাম :
ওমর ফারুক খাঁন তৃতীয় বারের মত দাগনভঞার মেয়র নির্বাচিত নৌকার প্রার্থীর সমর্থনে অধ্যাপক ড. আবুল আলা মোহাম্মদ হোছামুদ্দিনের নেতৃত্বে স্বাশিপের গণসংযোগ নৌকার প্রার্থীর সমর্থনে অধ্যাপক ড. আবুল আলা মোহাম্মদ হোছামুদ্দিনের নেতৃত্বে স্বাশিপের গণসংযোগ, ষাট পৌরসভায় শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে: ইসি সচিব একুশ সালের মধ্যে সকলের জন্য ইন্টারনেট নিশ্চিত করা হবে: পলক যদি মানুষ ভোট দিতে পারে“চট্টগ্রামে ভোট বিপ্লব ঘটবে -ড.শাহাদাৎ” দক্ষিণ হালিশহর ৩৯নম্বর ওয়ার্ডে ধানের শীষের গনসংযোগে মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাৎ হোসেন আগামীর নগর পিতার নিকট প্রত্যাশা : সমৃদ্ধ এই বন্দর নগরীকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসাবে বাস্তবায়নে তিনি যথাযথ পদক্ষেপ নিবে জনগণের বাসস্থান নিশ্চিতে বিনাসুদে, শর্তবিহীন ঋণ সুবিধা দিন চসিক এর চকবাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ওয়াহেদ মুরাদের গণসংযোগ করোনা সংকটে আবারও বাড়ল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি

ভাস্কর্য বসালে টেনে হিঁচড়ে ফেলে দেব : বাবুনগরী

চট্টগ্রাম ট্রিবিউন ডেস্ক: শুক্রবার(২৭/১১/২০) রাতে হাটহাজারীর পার্বতী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে তাফসীরুল কুরআন মাহফিলের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাবুনগরী বলেছেন,
যে কোনো দল ভাস্কর্য বসালে তা ‘টেনে হিঁচড়ে ফেলে দেওয়ার’ হুমকি দিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমীর জুনাইদ বাবুনগরী।

দুদিন ধরে যুবলীগ-ছাত্রলীগ, শ্রমিক লীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিরোধের মুখে নির্ধারিত প্রধান ওয়ায়েজ মাওলানা মামুনুল হক চট্টগ্রামের এ মাহফিলে আসেনি। অবশেষে মাহফিল থেকে ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য রাখলেন হেফাজতের আমীর জুনাইদ বাবুনগরী।

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, মদিনার সনদে দেশ চলবে। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ। মদিনার সনদে যদি দেশ চলে, ইসলামবিরোধী কোনো কাজ হতে পারবে না। ইনশাল্লাহ প্রধানমন্ত্রী (ভাস্কর্য বসাতে) দেবে না, দেবে না।

বাবুনগরী বলেন, “ভাস্কর্য- এটা শরিয়তসম্মত নয়। কোনো পার্টি বা নেতার নাম বলছি না, যার ভাস্কর্য হোক না কেন।“আল্লাহর কসম, কেউ যদি আমার আব্বার ভাস্কর্য বসায়, আমি সর্বপ্রথম সেই ভাস্কর্য টেনে হিঁচড়ে ফেলে দেব। যে কোনো দল ভাস্কর্য বসাবে, আমার আব্বার ভাস্কর্যও যদি স্থাপন করা হয়, সেটা শরিয়ত সম্মত হবে না। টেনে হিঁচড়ে ফেলে দেব।”

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বাবুনগরী বলেন, “বঙ্গবন্ধুকে অন্তর থেকে ভালোবাসি। আপনার আব্বা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব, আমরা উনাকে শ্রদ্ধা করি। এই বঙ্গবন্ধুকে কারা মেরেছে? কোনো মাদ্রাসার ছাত্র? কোনো আলেম ওলামা? না, না। এই বঙ্গবন্ধুকে মেরে ফেলেছে বঙ্গবন্ধুর মানুষরা।

“আপনাকে সতর্ক করছি। আপনার ঘাড়ে যেসব নাস্তিকরা বসে আছে, তারাই আপনার ক্ষতি করবে, তারাই আপনাকে মেরে ফেলবে। আমরা আপনার দুশমন নই। আমরা দেশের শান্তি শৃঙ্খলা চাই।”

শুক্রবার রাতে হাটহাজারীর মাহফিল থেকে সরকারের কাছে চার দফা দাবি তুলে ধরেন হেফাজত আমির জুনাইদ বাবুনগরী।বাংলাদেশে ইসকনের কার্যক্রম বন্ধ করা, কাদিয়ানীরা সরকারিভাবে ‘অমুসলিম’ ঘোষণা করা, দূতাবাস বন্ধ করে ফ্রান্সের দূতকে বহিষ্কার করা এবং ফ্রান্সের বিরুদ্ধে সংসদে নিন্দা প্রস্তাব পাস করার দাবি রয়েছে সেখানে।

বাবুনগরী বলেন, “দেশ চলবে মদিনার সনদে। এই কথায় আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে একমত। নব্বই ভাগ মুসলমানের দেশ মদিনার সনদে চলবে। রাশিয়া, আমেরিকা, ভারত, চীনের সনদে চলতে পারবে না।

“আওয়ামী লীগ বিএনপির লড়াই নাই। ঈদের নামাজের কাতারে তারা পাশাপাশি দাঁড়ায়। আওয়ামী লীগ বিএনপির মাঝখানে আত্মীয়তার সম্পর্ক আছে। বর্তমান বাংলাদেশ আর সারা বিশ্বে কঠিন লড়াই আস্তিক আর নাস্তিকের।”

২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার মতিঝিলে দিনভর তাণ্ডব চালানো হেফাজতে ইসলামকে ‘সর্ম্পূণ অরাজনৈতিক সংগঠন’ হিসেবে দাবি করে সংগঠনটির শীর্ষ নেতা বলেন, “এখনো হক কথা বললে গ্রেপ্তার করে কি না, সমস্যা নাই গ্রেপ্তার করুক। রিমান্ডে নিক, ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিক, আমাদের হক কথা বলতে হবে।”

(Visited 18 times, 1 visits today)