শিরোনাম :
ওমর ফারুক খাঁন তৃতীয় বারের মত দাগনভঞার মেয়র নির্বাচিত নৌকার প্রার্থীর সমর্থনে অধ্যাপক ড. আবুল আলা মোহাম্মদ হোছামুদ্দিনের নেতৃত্বে স্বাশিপের গণসংযোগ নৌকার প্রার্থীর সমর্থনে অধ্যাপক ড. আবুল আলা মোহাম্মদ হোছামুদ্দিনের নেতৃত্বে স্বাশিপের গণসংযোগ, ষাট পৌরসভায় শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে: ইসি সচিব একুশ সালের মধ্যে সকলের জন্য ইন্টারনেট নিশ্চিত করা হবে: পলক যদি মানুষ ভোট দিতে পারে“চট্টগ্রামে ভোট বিপ্লব ঘটবে -ড.শাহাদাৎ” দক্ষিণ হালিশহর ৩৯নম্বর ওয়ার্ডে ধানের শীষের গনসংযোগে মেয়র প্রার্থী ডাঃ শাহাদাৎ হোসেন আগামীর নগর পিতার নিকট প্রত্যাশা : সমৃদ্ধ এই বন্দর নগরীকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসাবে বাস্তবায়নে তিনি যথাযথ পদক্ষেপ নিবে জনগণের বাসস্থান নিশ্চিতে বিনাসুদে, শর্তবিহীন ঋণ সুবিধা দিন চসিক এর চকবাজার ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় ওয়াহেদ মুরাদের গণসংযোগ করোনা সংকটে আবারও বাড়ল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি

অনলাইন ক্লাসে কে লাভবান হচ্ছে ?”:মোঃ মঈন উদ্দিন

সারা বিশ্ব এক যোগে করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় শিক্ষাক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বাধ্য হওয়ায় শিক্ষার্থীদের বৃহত্তর স্বার্থে সম্মানিত শিক্ষকগণ ঘরে থেকেই অনলাইনে শিক্ষাদান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের অনেকেই স্মার্টফোন ব্যবহার করে সেই ক্লাসসমূহ সরাসরি দেখতে পাচ্ছে। কিন্তু তারপরও নাকি মাত্র ২১% শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসের সাথে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছে। বাকি ৭৯% এর কী অবস্থা তা আমরা জানি না।

তাহলে এই অনলাইন ক্লাসের প্রকৃত লাভবান কে? এককথায় সহজ উত্তর সম্মানিত শিক্ষকগণ যাঁরা এই অনলাইন ক্লাস নিয়ে থাকেন তাঁরাই। সরকার তাঁদের কোনো আর্থিক সুবিধা দেয় কি না আমার জানা নেই। তবে আমার মতে তাঁদেরকে আর্থিক সুবিধা দেওয়া উচিত। প্রশ্ন উঠতে পারে, তাঁরা তো নিয়মিত বেতন ভাতা পাচ্ছেন, তারপরও কেন আর্থিক সুবিধা দিতে হবে? দিতে হবে এই জন্যই যে, তাঁরা যেন কাজ করতে উৎসাহ হারিয়ে না ফেলেন।

স্বাভাবিক ক্লাসে অধিকাংশ শিক্ষকই ক্লাসে প্রবেশ করে বলতেন, ” যারা পড়া শিখে আসনি তারা দাঁড়িয়ে থাক, আর যারা পড়া শিখেছ তারা লিখা শুরু কর। ব্যস, তারপর ক্লাস শেষ। শিক্ষকদের বাড়িতে পড়ার কোনো তাগিদ ছিল না। ক্লাসে চিন্তা ভাবনা না করে ইচ্ছে মতো কথা বলতে পারতো। কিন্তু অনলাইনে সরাসরি পাঠদানের ক্ষেত্রে তা আর সম্ভব হচ্ছে না।

প্রথম প্রথম অনেক শিক্ষককে দেখেছি লাইভ ক্লাসে ঠিকমতো কথা বলতে পারছেন না, ঘেমে সারা শরীর একাকার। লিখতে গিয়ে বানান ভুল করেন। এখন সেই শিক্ষকদের লাইভ ক্লাসে মুখে খই ফোটে। বেশ চমৎকার প্রাক্ প্রস্তুতি নিয়েই এখন তাঁরা লাইভ অনলাইন ক্লাসে হাজির হন। বেকার ও অসুস্থ হয়ে বিছানায় পড়ে থাকায় প্রায় সবার ক্লাস দেখার সুযোগ হয়।

খুব ভালো লাগে যখন দেখি শিক্ষকগণ বই পড়া শুরু করেছেন। দর্শক যেন কোনো ত্রুটি খুঁজে না পান সে ব্যাপারে যথেষ্ট সজাগ থাকেন। শিক্ষকদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে সকল শিক্ষার্থীই তাতে লাভবান হবে।

যাঁরা অনলাইন ক্লাসের সাথে সম্পৃক্ত তাঁদের সবাইকে সালাম ও অভিনন্দন।

লেখক

সাবেক প্রধান শিক্ষক

সমিতির হাট উচ্চ বিদ্যালয়

হাটহাজারি,চট্টগ্রাম

(Visited 28 times, 1 visits today)