শিরোনাম :
আজ মীরসরাই বড়তাকিয়া শাহ জাহেদ (রহ.) এর মাজারে ৫০৮তম বার্ষিক ওরছ মাহফিল সন্দ্বীপের বাজারে ইলিশে ভরা, দাম কিন্তু চড়া || নেপথ্যে চাঁদাবাজি ও অসাধু সিন্ডিকেট আগামীকাল কাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন, শুভেচ্ছা বার্তা লিখতে হবে শিক্ষার্থীদের মহেশখালীর বঙ্গোপসাগর তীরে জিপিএস ডিভাইস ক্যামেরাযুক্ত পাখি জব্দ মীরসরাই প্রেসক্লাব সভাপতি নূরুল আলম বিশ্বজয়ী হাফেজ তাকরিমকে দেখে আসলেন চট্টগ্রামের দুই ছেলের বিশ্বজয় ! লোহাগাড়ার আলোকিত শিক্ষক বলরাম দেবনাথ ICT4E জেলা শিক্ষক অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত আটাশ লক্ষ টাকা পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম হাসান ভূইঁয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ এইজি’র সভাপতিত্বে আইপি’র আরএএল’২১ প্রণয়নের লক্ষ্যে রেঞ্জ সম্মেলন ও আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটি কর্মক্ষম, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক আদর্শ প্রজন্ম গঠন খুবই জরুরী : বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী

কোয়ারেন্টাইন মুক্ত হলাম আমি : ডা. ফেরদৌস খন্দকার

ডা. ফেরদৌস খন্দকারের ফেসবুক পেইজ থেকে: অবশেষে কোয়ারেন্টাইন মুক্ত হলাম আমি। কেটে গেলো ১৪টি দিন। সময়তো কাটবেই। থেকে যাবে কেবল স্মৃতি। এই মুহূর্তে কোন অভিযোগ নয়, কেবল ধন্যবাদই দিতে চাই সবাইকে। যারা গত ১৪টি দিন আমার সাথে ছিলেন। বিভিন্নভাবে সহায়তা দিয়েছেন, মানসিকভাবে শক্ত থাকতে প্রেরণা জুগিয়েছেন। তবে একথা আমাকে বলতেই হবে যে, শুরুটা বেশ কঠিনই ছিল আমার জন্যে। আমার বিরুদ্ধে “অহেতুক” এবং “মিথ্যা অভিযোগে” বিরাট ঝড় উঠেছিল। সব ভুল প্রমাণিত হয়েছে। ঝড়ও হয়তো থেমে গেছে।

যা বলছিলাম, দেশে আসার পর আমাকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে দেয়া হয়েছে; এই বিষয়টি আমি প্রথম পাঁচদিন মানতেই পারছিলাম না। কেননা আমার এন্টিবডির সনদ ছিল। তখন মানসিকভাবে রীতিমতো বিদ্ধস্ত হয়ে পড়েছিলাম। পরিবার, সহকর্মী, বন্ধু, সুধীজন, সহযোদ্ধারা, সাংবাদিক এবং দেশের মানুষের সহায়তা ও সমর্থণ আমাকে সাহস জুগিয়েছে।

দেশে এসেছিলাম কয়েক সপ্তাহ দেশবাসীর জন্যে কাজ করবো বলে। সাথে ছোট্ট একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তুলে যাবো, এমন আশা ছিল। সেই লক্ষ্যেই দুই থেকে তিন সপ্তাহের জন্যে এসেছিলাম। যদিও সময় কিছুটা ক্ষেপন হয়ে গেছে। এরপরও আমি মনে করি, কোন আক্ষেপ নেই আমার। দ্রুততম সময়ের মধ্যে কিছুটা কাজ করে যাবো। তবে সাথে নিয়ে যাবো গত দুটি সপ্তাহে ঘটে যাওয়া অনেক কিছু ও অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে যেসব সৈনিক ভাইয়েরা আমার সাথে ছিলেন, তারা অনেক ভালোবাসা দিয়েছেন। অনেক সহযোগিতা করেছেন। আপনাদের মমতা কোনদিন ভুলবার নয়। সেই সাথে কুয়েত প্রবাসী কিছু ভাই শেষের দিকে কোয়ারেন্টাইনে যোগ দিয়েছিলেন। তাদের ভালোবাসায় ভরা স্মৃতিগুলোও বাকি জীবন আমার সাথে থাকবে। কখনো যদি দেখা হয়, নিশ্চয়ই ভালো লাগবে; বুকে জড়িয়ে ধরবো আপনাদের। দেখা না হলেও, আপনাদেরকে আমার সবসময় মনে থাকবে।

দেখুন আমি অতি সাধারণ একজন চিকিৎসক। তবে দেশকে, দেশের মানুষকে খুব ভালোবাসি। এসেছিলাম, দূর্যোগের এই সময়টায় কেবলই দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য। কোন রাজনৈতিক অভিলাষ বা ইচ্ছা আমার ছিল না; নেইও। ফলে যারা তেমনটি ভেবেছিলেন, আশা করছি আপনাদের ভুলটা ভেঙেছে। বাংলাদেশের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সম্মুখসারির যোদ্ধারা করোনার এই সময়টায় রীতিমতো জীবন বাজি রেখে লড়াই করছেন। তাদের আত্মত্যাগ, এই জাতি সবসময়ই মনে রাখবে। সামনের দিনগুলোতেও তারা এমনিভাবে লড়ে যাবেন বলে আমার বিশ্বাস।

আমি এই মুহূর্তে স্বাস্থ্য বিষয়ক ছোট্ট একটি সেটআপ করে দ্রুতই নিউইয়র্কে ফিরে যাবো। কারো বিরুদ্ধে আমার কোন অভিযোগ নেই। মায়ের বিরুদ্ধে সন্তানের কোন অভিযোগ থাকে না। আমারো নেই। আবারো দেখা হবে। ভালোবাসা বাংলাদেশ। সবাই ভালো থাকুন। নিরাপদে থাকুন। আপনাদের মঙ্গল হোক।

সিটিয়০৫-২১/এমডিআএম/জে২০

(Visited 40 times, 1 visits today)