শিরোনাম :
আজ মীরসরাই বড়তাকিয়া শাহ জাহেদ (রহ.) এর মাজারে ৫০৮তম বার্ষিক ওরছ মাহফিল সন্দ্বীপের বাজারে ইলিশে ভরা, দাম কিন্তু চড়া || নেপথ্যে চাঁদাবাজি ও অসাধু সিন্ডিকেট আগামীকাল কাল মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন, শুভেচ্ছা বার্তা লিখতে হবে শিক্ষার্থীদের মহেশখালীর বঙ্গোপসাগর তীরে জিপিএস ডিভাইস ক্যামেরাযুক্ত পাখি জব্দ মীরসরাই প্রেসক্লাব সভাপতি নূরুল আলম বিশ্বজয়ী হাফেজ তাকরিমকে দেখে আসলেন চট্টগ্রামের দুই ছেলের বিশ্বজয় ! লোহাগাড়ার আলোকিত শিক্ষক বলরাম দেবনাথ ICT4E জেলা শিক্ষক অ্যাম্বাসেডর নির্বাচিত আটাশ লক্ষ টাকা পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরীম হাসান ভূইঁয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ এইজি’র সভাপতিত্বে আইপি’র আরএএল’২১ প্রণয়নের লক্ষ্যে রেঞ্জ সম্মেলন ও আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে একটি কর্মক্ষম, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক আদর্শ প্রজন্ম গঠন খুবই জরুরী : বাহাদুর শাহ মোজাদ্দেদী

কেনিয়ায় গণধর্ষণের শিকার ১৫ নারী গড়ে তুলেছেন পুরুষহীন গ্রাম

মির্জা মহসিন: কেনিয়ায় গণধর্ষণের শীকার ১৫ জন নারী গঠন করেছেন পুরুষহীন একটি গ্রাম। দক্ষিণ কেনিয়ার একটি ছোট জনপদ হল উমোজা। ২৭ বছর ধরে এখানে শুধু মেয়েদের বাস। কাঁটাতারে ঘেরা এই গ্রামে ছেলেদের প্রবেশ নিষেধ।

কেন এ নিষেধাজ্ঞা ? তাহলে ফিরে যেতে হবে ১৯৯০ সালে। সেই সময় ব্রিটিশদের হাতে গণধর্ষণের শিকার হন এখানকার ১৫ জন মহিলা। এরপর তারা ঠিক করেন গ্রামের একপ্রান্তে নিজেদের মতো জনপদ তৈরি করে তারা থাকবেন।

কোনও রকম পুরুষের প্রবেশ নিষেধ। সেই ১৫ থেকে আজ সংখ্যাটা এসে দাঁড়িয়েছে ২৫০ জনে। অল্প বয়সে বিয়ে হয়ে যাওয়া, গার্হস্থ্য হিংসা আর নির্যাতনে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া কিংবা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এমন মহিলাদের ঠাঁই হয়েছে এই গ্রামে।

মহিলারা মনে করেন তাদের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় এই গ্রাম। আর অসহায় মেয়েদের জন্য এই গ্রামের দরজা সবসময় খুলে রেখেছেন বাকি মেয়েরা।শুধু মেয়েরাই নন, তাদের সন্তানরাও রয়েছেন সঙ্গে। এবার প্রশ্ন হল যে গ্রামে পুরুষের প্রবেশ নিষেধ সেখানে মেয়েরা কীভাবে পুরুষের সাহায্য ছাড়াই সন্তানের জন্ম দিচ্ছেন।

গ্রামে যেহেতু পুরুষের প্রবেশ নিষেধ তাই পছন্দের পুরুষের সঙ্গে যৌনমিলনের জন্য রাতের বেলা অন্য গ্রামে যান মেয়েরা। তবে বাইরের কোনও অতিথির সঙ্গে যৌনমিলন করতে পারবেন না মেয়েরা এমনও নিয়ম রয়েছে।

মেয়েরা তাদের গ্রাম সাম্বুরুতে নিজেরাই গড়ে তুলেছেন স্কুল, কালচারাল সেন্টার এবং সাম্বুরু ন্যাশনাল পার্ক।তাদের নিজস্ব একটি ওয়েবসাইটও রয়েছে। নিজেরা গয়না এবং ঘরসাজানোর নানা দ্রব্য বানিয়ে তা যেমন অনলাইনে বিক্রি করেন তেমনই পর্যটকদের কাছেও বিক্রি করেন। বহু পর্যটক আসেন এই গ্রাম ঘুরতে।

তাদের জঙ্গলসাফারি, মিউজিয়াম ঘুরে দেখানোর দায়িত্বও থাকে মহিলাদের হাতে। আসার আগে অনলাইনে বুকিং করতে হয়। প্রতিবেদক: সহ-সম্পাদক, চট্টগ্রাম ট্রিবিউন।

সিটি১৭-১৯/এমডিআএম/জে২০

(Visited 144 times, 1 visits today)